স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে আনারস উৎপাদনের জন্য সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। খেতে-খামারে শুধু উৎপাদন বৃদ্ধি নয়- ভোক্তা যাতে নির্ভেজাল ও পুষ্টিকর ফল খেতে পারে সেটির নিশ্চয়তা থাকা জরুরী। বানিজ্যিকভাবে ফল চাষ, সংরক্ষণ এবং ফল পাঁকাতে যাতে ক্ষতিকর হরমোন ও রাসায়নিক সার কেউ ব্যবহার না করেন সেটির উপর খেয়াল রাখতে হবে। এ জন্য কৃষকদেরকে মটিভেশন করা জরুরী। কৃষি, মৎস্য এবং প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বুধবার (২০ অক্টোবর) মধুপুর উপজেলার পাহাড়ি গ্রাম নেদুরবাজার ও মহিষমারায় দুটি পৃথক কৃষক সমাবেশে এসব কথা বলেন। কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর গড় কলা ও আনারসসহ নানা ফল চাষের একটি বড় চত্বর। সারা দেশে এখানকার ফল চালান যায়। এখানকার আনারস এখন স্পেন, পর্তুগাল ও পাকিস্তানে রফতানি হচ্ছে। রফতানির এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে বিজ্ঞান সম্মতভাবে ফল আবাদ এবং স্বাস্থ্য সম্মতভাবে ফল সংরক্ষণ করতে হবে। ক্ষতিকর হরমোন দিয়ে ফল পাঁকানোর কু অভ্যাস একদম পরিত্যাগ করতে হবে। তিনি মধুপুরে বানিজ্যিক ভিত্তিতে আদা-হলুদ চাষের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার কথাও জানান। এ সময়ে ডাক, টেলিযোগযোগ, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং
বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কৃষিমন্ত্রী পরে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত আদর্শ কৃষক ছানোয়ার হোসেনের ফল, সবজি ও মশলার খামার পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য